Daly Top Alap News ২৮ জুন ২০২৬ , ১১:২৯ এএম প্রিন্ট সংস্করণঃ
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের কাঁটাবনের আল বারাকা টাওয়ারে একটি আইনজীবীর চেম্বারে অগ্নিকাণ্ডে আব্দুস সালাম ও জনি নামে দুই কর্মচারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চেম্বারে থাকা বহু মূল্যবান আইনবিষয়ক বই, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দাপ্তরিক কাগজপত্র পুড়ে গেছে।
জানা গেছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত চেম্বারটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রয়াত উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছিল। তাঁর মৃত্যুর পর ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান যৌথভাবে চেম্বারটি পরিচালনা করতেন।
প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, চেম্বারের দাপ্তরিক সহকারী মো. আব্দুস সালাম গত রাতে ১২টা ৪৭ মিনিটে তাঁকে ফোন করে আগুন লাগার খবর দেন। তবে ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে। তাঁর দাবি, রাত ১২টা ২৭ মিনিটের পর থেকে চেম্বারের বাইরে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় কোনো রেকর্ড নেই। ফুটেজে ওই সময়ের পর ‘নো রেকর্ড’ দেখাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, হয় আগুনে সিসিটিভি ক্যামেরাটি নষ্ট হয়ে গেছে, নয়তো আগুন দেওয়ার আগে কেউ পরিকল্পিতভাবে ক্যামেরার মেমোরি কার্ড সরিয়ে ফেলেছে।
প্রসিকিউটর আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁর ধারণা এটি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বা সাধারণ কোনো দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ড নয়। চেম্বারে আগুন লাগার যৌক্তিক কোনো কারণ তিনি দেখছেন না। তাই ঘটনাটি পরিকল্পিত নাশকতা কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তিনি।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে দুই কর্মচারীর মৃত্যু এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুনের কারণ সম্পর্কে চূড়ান্তভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
ডিটিএ / নিউজ ডেস্ক











