ডেইলি টপ আলাপ ডেস্ক ৪ জুলাই ২০২৬ , ৮:৫০ এএম প্রিন্ট সংস্করণঃ
ডাক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ‘পণ্য আপনার, দায়িত্ব আমাদের’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চালু হওয়া এই সেবা বিশেষভাবে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা এবং ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। কম খরচে দ্রুত পণ্য পাঠানোর সুযোগ পাওয়ায় ব্যবসার পরিচালন ব্যয় কমবে এবং লাভের পরিমাণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্পিড পোস্টের অন্যতম বড় সুবিধা হলো ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা। পার্সেল বুকিংয়ের পর গ্রাহকরা ঘরে বসেই অনলাইনে পার্সেলের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। ডাক বিভাগের অফিসিয়াল ট্র্যাকিং লিংকের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। আন্তর্জাতিক পার্সেলের ক্ষেত্রেও ইএমএস (EMS) সেবার মাধ্যমে গ্লোবাল ট্র্যাকিং সুবিধা রয়েছে।
সেবার পরিধি আরও বাড়াতে দেশব্যাপী ১১টি ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল পোস্ট অফিস পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি ই-কমার্স খাতের লজিস্টিকস সাপোর্ট জোরদারে ১৪টি আধুনিক ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পার্সেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডাক বিভাগের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের কারণে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত সহজেই পার্সেল বুকিং ও বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। নির্ধারিত ডাকঘরে পার্সেল জমা দিয়ে মাশুল পরিশোধ করলে গ্রাহককে ট্র্যাকিং নম্বরসহ অফিসিয়াল রসিদ দেওয়া হয়। এরপর ঢাকার মধ্যে ২৪ ঘণ্টা এবং ঢাকার বাইরে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পার্সেল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া পার্সেল পাঠানোর আগে সম্ভাব্য খরচ সহজে জানার জন্য ডাক বিভাগ ডিজিটাল ডাক মাশুল ক্যালকুলেটর চালু করেছে। ফলে গ্রাহকরা আগেই অনলাইনে পার্সেল পাঠানোর খরচ হিসাব করতে পারছেন।
ডিটিএ / নিউজ ডেস্ক











