ডেইলি টপ আলাপ ১৮ জুলাই ২০২৬ , ১০:২৯ পিএম প্রিন্ট সংস্করণঃ
বৈঠকে জানানো হয়, প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধা সহজলভ্য করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ক্রীড়া কার্ড বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এবার চালু হচ্ছে প্রবাসী কার্ড। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে এর পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করা হবে।
প্রথম পর্যায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে। ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে ৫০ হাজার এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসী কার্ড বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে এ-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
প্রবাসী কার্ডধারীরা দেশে ও বিদেশে বিমানবন্দরের লাউঞ্জ ব্যবহার, বিশেষ ইমিগ্রেশন সুবিধা, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে Meet & Greet সেবা, বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে ছাড়, গাড়ি বুকিং ও এয়ারপোর্ট পিক-অ্যান্ড-ড্রপ সুবিধা, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অগ্রাধিকারভিত্তিক চিকিৎসাসেবা, মৃত্যুর পর বিনা খরচে মরদেহ দেশে পাঠানোর সুবিধা, পুনর্বাসন ও বীমা সুবিধা, জমি নিবন্ধন ও বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার, রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড, ঋণ সুবিধা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, কনস্যুলার ও ব্যাংকিং সেবায় অগ্রাধিকারসহ অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা পাবেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও আধুনিক করে গড়ে তোলার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি প্রবাসীকে পর্যায়ক্রমে প্রবাসী কার্ডের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন।
বৈঠকে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডিটিএ / নিউজ ডেস্ক











