ডেইলি টপ আলাপ ১০ জুলাই ২০২৬ , ৯:৩৫ এএম প্রিন্ট সংস্করণঃ
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে সাতকানিয়া উপজেলায়। সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাজালিয়া, ছদাহা, কেঁওচিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বর্তমানে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। গ্রামীণ সড়ক, কৃষিজমি, মাছের ঘের ও অসংখ্য বসতঘর তলিয়ে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। বন্যার পানিতে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া থানা এবং সাতকানিয়া সরকারি কলেজও প্লাবিত হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলায় আমিরাবাদ, পদুয়া, আধুনগর, চুনতি, বড়হাতিয়া, পুটিবিলা, কলাউজান, চরম্বা ও সদর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। ডলু নদী ও হাতিয়ার খালের পানি বৃদ্ধি এবং ভাঙনের কারণে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে একাধিক গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারি বর্ষণে অনেক মাটির ঘর ধসে পড়েছে এবং বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
অন্যদিকে, বাঁশখালী উপজেলায় পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ছনুয়া, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি, চাম্বল, শীলকূপ, গণ্ডামারা ও খানখানাবাদসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বসতঘর, কৃষিজমি, মাছের ঘের এবং গ্রামীণ সড়ক প্লাবিত হয়েছে। অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ডিটিএ / নিউজ ডেস্ক











