ডেইলি টপ আলাপ নিউজ ৬ জুন ২০২৬ , ৮:৪৯ পিএম প্রিন্ট সংস্করণঃ
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে কর কর্তনের সুযোগ নেই বলে ঘোষণা দেওয়ার পরও বাস্তবে কিছু ব্যাংকে বিদেশি আয় থেকে কর কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকও আইটি ফ্রিল্যান্সিং খাতের বৈদেশিক আয়ের ওপর উৎসে কর কর্তন না করার নির্দেশনা দিয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করছেন।

সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর অভিযোগ করেন, ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে অর্জিত বৈদেশিক আয় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার পর মিডল্যান্ড ব্যাংক অগ্রিম ৭.৫ শতাংশ হারে কর কর্তন করেছে। এতে তার অ্যাকাউন্ট থেকে ৮ হাজার ৭০৮ টাকা ৪৯ পয়সা কেটে রাখা হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয় যে তাদের কাছে সংশ্লিষ্ট কোনো নতুন প্রজ্ঞাপন না থাকায় কর কর্তন অব্যাহত রাখা হয়েছে। এছাড়া ফেসবুক ও ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়কে তারা আইটি ফ্রিল্যান্সিং খাতের আওতাভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করছে না।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে অর্জিত আয় আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের আওতায় না পড়ে, তাহলে সেটি কোন খাতের আয় হিসেবে গণ্য হবে—এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।
জানা গেছে, বিষয়টি লিখিতভাবে অভিযোগ আকারে জমা দিলে তা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একই ধরনের আয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাংকে ভিন্ন নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ফলে ফ্রিল্যান্সার, ইউটিউবার ও ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত একটি স্পষ্ট ও একীভূত নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে ডিজিটাল খাতের উদ্যোক্তা ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারীরা হয়রানির শিকার না হন।











