ডেইলি টপ আলাপ ৫ জুলাই ২০২৬ , ৬:০৩ পিএম প্রিন্ট সংস্করণঃ
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর তথ্য অনুযায়ী, দেশটির জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি জানাজার ইমামতি করেন। প্রয়াত নেতার পাশাপাশি তাঁর পরিবারের আরও চার সদস্যের জানাজাও একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি ইজেই এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানি। উপস্থিত ছিলেন খামেনির তিন ছেলে—মাসুদ, মাইসাম ও মোস্তফা। তবে অসুস্থতা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।
সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও দাফন কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় মানুষের ঢল নামে। শোকাহত লাখো মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে তাঁদের দীর্ঘদিনের নেতাকে শেষ বিদায় জানান।
জানাজা উপলক্ষে ইরানজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ধ্যায় মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লা থেকে স্থানান্তর করা হবে এবং সোমবার রাজধানীজুড়ে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার মরদেহ কোম শহরে নেওয়া হবে। এরপর বুধবার প্রতিবেশী ইরাকের নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে গিয়ে নাজাফ ও কারবালায় শোকযাত্রা ও জানাজার আয়োজন করা হবে। সবশেষে মরদেহ ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ শহরে নেওয়া হবে, যেখানে তাঁকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান এবং মোজতবা আলী খামেনি গুরুতর আহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মোজতবা আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
ডিটিএ / নিউজ ডেস্ক











