আন্তর্জাতিক

বর্ণাঢ্য আয়োজনে মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

  ডেইলি টপ আলাপ ডেস্ক ৩১ অগাস্ট ২০২৬ , ৫:৫২ পিএম প্রিন্ট সংস্করণঃ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে আধুনিক মালয়েশিয়ার ৬৯তম ‘হারি মেরদেকা’ বা স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।

সোমবার সকাল থেকেই প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার ‘দাতারান পুত্রজায়া’ প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল নামে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকও এ আয়োজনে অংশ নেন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির রাজা সুলতান ইব্রাহিম ও রানি রাজা জারিথ সোফিয়া। রাজপরিবার দাতারান পুত্রজায়ায় পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল। এ সময় যোগাযোগমন্ত্রী দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল উপস্থিত ছিলেন।

রাজা-রানির উপস্থিতিতে শুরু হয় জাতীয় দিবসের মূল আনুষ্ঠানিকতা। দাতারান পুত্রজায়াজুড়ে ভেসে ওঠে তূর্যের গম্ভীর ধ্বনি। এরপর মূল সম্মান রক্ষী বাহিনীর ব্যান্ডদল পরিবেশন করে জাতীয় সংগীত ‘নেগারাকু’।

রাজা ও রানি রাজকীয় মঞ্চে আসন গ্রহণের পর আকাশে শুরু হয় পতাকা প্রদর্শনী। এ সময় মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকার পাশাপাশি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখা— সেনা, রাজকীয় নৌ ও রাজকীয় বিমানবাহিনীর পতাকা বহন করে পাঁচটি হেলিকপ্টার।

পরে রাজা সুলতান ইব্রাহিম কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং মূল সম্মান রক্ষী বাহিনীর কাছ থেকে রাজকীয় অভিবাদন গ্রহণ করেন। সুঙ্গাই বুলোহ ক্যাম্প থেকে আসা রাজকীয় গোলন্দাজ রেজিমেন্টের ৪১তম ব্যাটারি এ অভিবাদন জানায়।

বর্ণাঢ্য এই কুচকাওয়াজে ৭৬টি দলের হয়ে মোট ১০ হাজার ৮১৯ জন সদস্য অংশ নেন। সঙ্গে ছিল ২২টি ব্রাস ব্যান্ড। আয়োজক কমিটির তথ্যমতে, জাতীয় দিবসের এ আয়োজনে ৮০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।

উল্লেখ্য, ১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে মালয়েশিয়া। সেই থেকে প্রতিবছর ৩১ আগস্ট দিনটি ‘হারি মেরদেকা’ বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জাতীয় ইতিহাসে দিনটি দেশটির গৌরব, আত্মপরিচয় ও দেশপ্রেমের প্রতীক।